এক হাজারও বেশি ব্যক্তিকে পে‘ট কে‘/টে পায়ের সাথে সিমেন্টের ব্যাগ বেঁ‘ধে নদীতে ডু/বিয়ে দিয়েছেন এই মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসান
সুন্দরবন থেকে দ‘স্যুদের ব্যবহৃত একটি ট্রলার ঢাকার নিকটবর্তী নদীর তীরে রেখে দেওয়া হতো। ট্রলারটা সেখানেই থাকতো। “গু- ম” করা মানুষদের এখানে আনা হতো। রাতের অ‘ন্ধ‘কারে ট্রলার নদীর বুক চি‘ড়ে এগোত, নদীর নিস্ত‘ব্ধতা ভা/ঙত সেই আওয়াজে। তখনই “পা-র্সেল” বা “প্যাকেট” তারা যে নামই বলুক , তাকে প্রস্তুত করা হতো। ব্যাক্তির পা‘য়ের সাথে সিমেন্টের ব্যাগ বেঁ/ধে দেওয়া হতো।
সিমেন্টের ব্যাগ দুটোসহ তাকে ট্রলারটির কিনারে দাঁ/ড় করিয়ে বা বসিয়ে রাখা হতো। অফিসাররা নির্দেশ দিতেন অথবা নিজেরাই কাজ করতেন। নলের সামনে বালিশ দিয়ে মাথায় ১ বা ২ রা‘উন্ড গু/ লি, ঠিক এর কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই কেউ ধা‘রা‘লো ছু/রি দিয়ে পে/টটা কে/টে চি‘ড়ে দিত। তারপর পায়ের সাথে বেধে রাখা সিমেন্টের ব্যাগ নিয়ে তাকে পানিতে ছে‘ড়ে দেয়া হতো। মা থায় গু/লি, পে ট কা/টা, পায়ে বা ধাঁ সিমেন্টের ব্যাগ এভাবেই নিঃশব্দে আওয়ামীলীগ বিরোধী হ‘তভা‘গা মানুষটা নদীর গভীরে হা‘রি‘য়ে যেত। ব্যস....মিশন শেষ!
এভাবেই গু/ মে‘র একেকটা সাবজেক্ট শেষ করতেন খু/ নি জিয়াউল আর তার ফোর্স। এটা একটা সংষ্কৃ‘তি ছিলো। জিয়াউল একাই নিজ হাতে মে‘রে‘ছেন হাজার খানেক। কিন্তু পুরো প্রক্রিয়াতে ছিলো "চা‘ক‘রি" করা আরো অনেকে। এরা কি শুধুই চা/করির জন্য এগুলো করেছে? এটা কি ডিফে‘ন্সের অফিসারদের কাজ?
দেশপ্রেমিকের লাইসেন্স নিয়ে সেনাবাহিনীর যেসকল অফিসার নিজেরা এসব করেছে এবং অন্যদের করতে বা‘ধ্য করেছে তাদের ঝেড়ে ফেলে তাদের বি‘চা‘রের মুখোমু-খি করে ফ্রেশ স্টা/র্ট করুক এটি আমাদের চাওয়া। শুধু সেনাবাহিনী না একইভাবে পুলিশ, র্যাবের দা/য়ী সবার এই বিচার হওয়াটা দরকার। এরা এখনও অধিকাংশই চা/ক/রীতে আছে , আর তাদের প্র/ভু দিল্লিতে অবস্থান করতেছে। দিল্লির হয়ে তারা এই দেশে এসব হ/ত্যা/কা/ণ্ড ঘ/টিয়েছে।
সংগ্রহ- করা
