আমাদের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিউইয়র্ক সফরে এসে দিনের পর দিন হোটেলে অপেক্ষা করতেন যদি US সরকারের কারো সাথে কোনো রকমে একটা মিটিং আয়োজন করা যায়।
US সফরে এসে সাদা চামড়ার কারো সাথে মিটিংয়ের একটা ছবি সংবাদপত্রে প্রকাশ না হলে কি মান ইজ্জত থাকে?
তার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন বলেছিলেন হাসিনার UK ও US সফরের আগে সেসব দেশের সরকারের উচ্চ পর্যায়ের মানুষের সাথে মিটিং অনুরোধ করে e-mail করেছিলেন কিন্তু কেউ উত্তরই দেয়নি।
ভারতে হাসিনা আর পুতুলের সাথে মিঃ বাইডেন হলওয়ে তে সেলফি তুলেছিলেন এটা নিয়ে দেশে দুই সপ্তাহ ধরে ক্লাস ফাইভের ছেলেমেয়েদের মতো হাসিনা সহ তার দোসরদের হাস্যকর উচ্ছ্বাস নিশ্চয়ই সবার মনে আছে!
আর এদিকে......
Dr Yunus Sir এর ৩ দিনের সংক্ষিপ্ত নিউ ইয়র্ক সফরে যাদের সাথে bilateral মিটিং করবেন:
১) US প্রেসিডেন্ট Biden
২) US পররাষ্ট্রমন্ত্রী Blinken
৩) UN মহাসচিব
৪) UN মানবাধিকার প্রধান
৫) EU প্রেসিডেন্ট
৬) বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট
৭) USAID administrator
৮) নেদারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
৯) পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী
১০) নেপালের প্রধানমন্ত্রী
১১) ইতালির প্রেসিডেন্ট
১২) কুয়েতের Crown Prince
১৩) চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
শেখ হাসিনা গত ৫ বছরে এত্তজন হাই প্রোফাইল foreign dignitaries দের সাথে meeting করেছেন বলে মনে হয়না!
Dr. Yunus Sir এর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সম্মান ও গ্রহণযোগ্যতা বাংলাদেশকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারে। ছোটখাটো বিষয়ে অনুযোগ অভিযোগ না করে এই মানুষটিকে সবাই মিলে সাহায্য করেন আমাদের দেশটাকে সঠিক পথে নিয়ে আসতে। উনি ৮৪ বছরের বয়স্ক মানুষ। বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টার পদ থেকে তার পাওয়ার কিছুই নাই। সম্মান, পরিচিতি, খ্যাতি, টাকা তার সব আছে। আমাদের দেশকে উনি দিতে পারেন অনেক কিছু যদি আমরা ফালতু বিষয় নিয়ে বিতর্ক না করে, নিজেদের মধ্যে ভেদাভেদ বাদ দিয়ে তাঁকে একটু সহযোগিতা করি। এমন সুযোগ এই জাতির জীবনে নিকট ভবিষ্যতে আর আসবেনা!
আমার দেশ এই মুহূর্তে পৃথিবীর একমাত্র দেশ যার সরকার প্রধাণ একজন নোবেল laureate। ২৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে Dr. Yunus যখন বক্তৃতা দিতে দাঁড়াবেন, টিভির পর্দায় চোখ রাখুন; আমার বিশ্বাস যে সারা পৃথিবীর সরকার প্রধানরা চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়িয়ে লম্বা সময় নিয়ে হাত তালি দিয়ে উনাকে সম্মান জানাবে। আমার দেশ, আপনি, আমি আমরা সবাই এই অনন্য সম্মানের অংশীদার!
সংগৃহীত।